QH Logo
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
প্রারম্ভিক কথা

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বাংলা ভাষায় পবিত্র কুরআন ও হাদিস বিষয়ক অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে। তবে অধিকাংশ সাইটেই তথ্য খোঁজা, পাঠে সহজতা ও গবেষণার উপযোগিতা সীমিত। এই প্রেক্ষাপটে, একটি সহজ, সুসংগঠিত ও ব্যবহারবান্ধব ওয়েবসাইটের প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘদিন ধরেই অনুভূত হচ্ছিল। এই ওয়েবসাইটে পবিত্র কুরআন ও হাদিস এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে যেকোনো বিষয় দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়। কুরআন বা হাদিসের কোথায়, কোন বিষয়ে কী বলা হয়েছে—তা সার্চ করলেই সহজেই পাওয়া যাবে। বিশেষভাবে, কুরআনে বর্ণিত কোন বিষয়গুলো ফরজ বা অবশ্য পালনীয়—তা নিয়ে একটি সহজবোধ্য তালিকাও এখানে দেওয়া হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারীরা দ্রুত সেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জানতে পারেন। এছাড়া, পবিত্র কুরআনের বাংলা অনুবাদ সংযুক্ত করা হয়েছে, যাতে পাঠকেরা এর মর্মার্থ সহজে বুঝতে ও তা বাস্তব জীবনে অনুসরণ করতে পারেন। কেননা কুরআনের সঠিক ব্যাখ্যা ও তা অনুধাবন করা মুসলিম জীবনের অপরিহার্য অংশ। এই ওয়েবসাইটের মানোন্নয়নের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। লক্ষ্য একটাই—পবিত্র কুরআন ও হাদিসের বাণী সকলের নিকট সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া। গবেষণাকে সহজ করা। (পরীক্ষামূলক)

৬২৩৬ টি
কুরআন আয়াত
১১৪ টি
সূরা
৭,৩৯৭ টি
বুখারী হাদিস
৪,০০০ টি
মুসলিম হাদিস
৩,৮১২ টি
তিরমিজি হাদিস
৪,৮০০ টি
আবূ দাউদ হাদিস
بِسْمِ ٱللّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
শুরু করছি আল্লাহ্‌র নামে, যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
৪. আন-নিসা
(৫৯) হে মু’মিনগণ! তোমরা আল্লাহর ও রাসূলের অনুগত হও এবং তোমাদের জন্য যারা বিচারক তাদের; অতঃপর যদি তোমাদের মধ্যে কোন বিষয়ে কোন মতবিরোধ হয় তাহলে আল্লাহ ও রাসূলের দিকে প্রত্যাবর্তিত হও, যদি তোমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস করে থাক; এটাই কল্যাণকর ও শ্রেষ্ঠতর পরিসমাপ্তি।
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اَطِیۡعُوا اللّٰهَ وَ اَطِیۡعُوا الرَّسُوۡلَ وَ اُولِی الۡاَمۡرِ مِنۡکُمۡ ۚ فَاِنۡ تَنَازَعۡتُمۡ فِیۡ شَیۡءٍ فَرُدُّوۡهُ اِلَی اللّٰهِ وَ الرَّسُوۡلِ اِنۡ کُنۡتُمۡ تُؤۡمِنُوۡنَ بِاللّٰهِ وَ الۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ ؕ ذٰلِکَ خَیۡرٌ وَّ اَحۡسَنُ تَاۡوِیۡلًا
(৬০) তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করনি যারা দাবী করে যে, তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে এবং তোমার পূর্বে যা অবতীর্ণ হয়েছিল তৎপ্রতি তারা বিশ্বাস করে? অথচ তারা নিজেদের মুকাদ্দামা তাগুতের নিকট নিয়ে যেতে চায়, যদিও তাদেরকে আদেশ করা হয়েছিল যেন তাকে অবিশ্বাস করে; পক্ষান্তরে শাইতান তাদেরকে প্রতারিত করে পথভ্রষ্ট করতে চায়।
اَلَمۡ تَرَ اِلَی الَّذِیۡنَ یَزۡعُمُوۡنَ اَنَّهُمۡ اٰمَنُوۡا بِمَاۤ اُنۡزِلَ اِلَیۡکَ وَ مَاۤ اُنۡزِلَ مِنۡ قَبۡلِکَ یُرِیۡدُوۡنَ اَنۡ یَّتَحَاکَمُوۡۤا اِلَی الطَّاغُوۡتِ وَ قَدۡ اُمِرُوۡۤا اَنۡ یَّکۡفُرُوۡا بِهٖ ؕ وَ یُرِیۡدُ الشَّیۡطٰنُ اَنۡ یُّضِلَّهُمۡ ضَلٰلًۢا بَعِیۡدًا
(৬১) আর যখন তাদেরকে বলা হয় যে, আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন সেই দিকে এবং রাসূলের দিকে এসো তখন তুমি মুনাফিকদেরকে দেখবে, তারা তোমা হতে মুখ ফিরিয়ে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে।
وَ اِذَا قِیۡلَ لَهُمۡ تَعَالَوۡا اِلٰی مَاۤ اَنۡزَلَ اللّٰهُ وَ اِلَی الرَّسُوۡلِ رَاَیۡتَ الۡمُنٰفِقِیۡنَ یَصُدُّوۡنَ عَنۡکَ صُدُوۡدًا
(৬২) অনন্তর তখন কিরূপ হবে, যখন তাদের হস্তসমূহ যা পূর্বে প্রেরণ করেছে, তজ্জন্য তাদের উপর বিপদ উপনীত হয়? তখন তারা আল্লাহর শপথ করতে করতে তোমার কাছে এসে বলবে - কল্যাণ ও সম্প্রীতি ব্যতীত আমরা কিছুই কামনা করিনি।
فَکَیۡفَ اِذَاۤ اَصَابَتۡهُمۡ مُّصِیۡبَۃٌۢ بِمَا قَدَّمَتۡ اَیۡدِیۡهِمۡ ثُمَّ جَآءُوۡکَ یَحۡلِفُوۡنَ ٭ۖ بِاللّٰهِ اِنۡ اَرَدۡنَاۤ اِلَّاۤ اِحۡسَانًا وَّ تَوۡفِیۡقًا
(৬৩) তাদের অন্তরসমূহে যা আছে আল্লাহ তা জ্ঞাত আছেন। অতএব তুমি তাদের দিক হতে নির্লিপ্ত হও এবং তাদেরকে সদুপদেশ প্রদান কর এবং তাদেরকে তাদের সম্বন্ধে হৃদয়স্পর্শী কথা বল।
اُولٰٓئِکَ الَّذِیۡنَ یَعۡلَمُ اللّٰهُ مَا فِیۡ قُلُوۡبِهِمۡ ٭ فَاَعۡرِضۡ عَنۡهُمۡ وَ عِظۡهُمۡ وَ قُلۡ لَّهُمۡ فِیۡۤ اَنۡفُسِهِمۡ قَوۡلًۢا بَلِیۡغًا
(৬৪) আমি এতদ্ব্যতীত কোনই রাসূল প্রেরণ করিনি যে, আল্লাহর আদেশে তাঁর আনুগত্য স্বীকার করবে, এবং যদি তারা স্বীয় জীবনের উপর অত্যাচার করার পর তোমার নিকট আগমন করত, অতঃপর আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করত আর রাসূলও তাদের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাইত তাহলে নিশ্চয়ই তারা আল্লাহকে তাওবাহ কবূলকারী, করুণাময় দেখতে পেত।
وَ مَاۤ اَرۡسَلۡنَا مِنۡ رَّسُوۡلٍ اِلَّا لِیُطَاعَ بِاِذۡنِ اللّٰهِ ؕ وَ لَوۡ اَنَّهُمۡ اِذۡ ظَّلَمُوۡۤا اَنۡفُسَهُمۡ جَآءُوۡکَ فَاسۡتَغۡفَرُوا اللّٰهَ وَ اسۡتَغۡفَرَ لَهُمُ الرَّسُوۡلُ لَوَجَدُوا اللّٰهَ تَوَّابًا رَّحِیۡمًا
(৬৫) অতএব তোমার রবের শপথ! তারা কখনই বিশ্বাস স্থাপনকারী হতে পারবেনা, যে পর্যন্ত তোমাকে তাদের সৃষ্ট বিরোধের বিচারক না করে, অতঃপর তুমি যে বিচার করবে তা দ্বিধাহীন অন্তরে গ্রহণ না করে এবং ওটা সন্তষ্ট চিত্তে কবূল না করে।
فَلَا وَ رَبِّکَ لَا یُؤۡمِنُوۡنَ حَتّٰی یُحَکِّمُوۡکَ فِیۡمَا شَجَرَ بَیۡنَهُمۡ ثُمَّ لَا یَجِدُوۡا فِیۡۤ اَنۡفُسِهِمۡ حَرَجًا مِّمَّا قَضَیۡتَ وَ یُسَلِّمُوۡا تَسۡلِیۡمًا
(৬৬) আর আমি যদি তাদের উপর বিধিবদ্ধ করতাম যে, তোমরা নিজেদেরকে হত্যা কর অথবা স্বীয় গৃহ প্রাচীর হতে নিস্ক্রান্ত হও তাহলে তাদের অল্প সংখ্যক ব্যতীত ওটা করতনা এবং যদ্বিষয়ে তাদেরকে উপদেশ দেয়া হয়েছিল তা যদি তারা করত তাহলে নিশ্চয়ই ওটা হত তাদের জন্য কল্যাণকর এবং ধর্মের উপর সুদৃঢ় থাকার জন্যও।
وَ لَوۡ اَنَّا کَتَبۡنَا عَلَیۡهِمۡ اَنِ اقۡتُلُوۡۤا اَنۡفُسَکُمۡ اَوِ اخۡرُجُوۡا مِنۡ دِیَارِکُمۡ مَّا فَعَلُوۡهُ اِلَّا قَلِیۡلٌ مِّنۡهُمۡ ؕ وَ لَوۡ اَنَّهُمۡ فَعَلُوۡا مَا یُوۡعَظُوۡنَ بِهٖ لَکَانَ خَیۡرًا لَّهُمۡ وَ اَشَدَّ تَثۡبِیۡتًا
(৬৭) এবং তখন আমি তাদেরকে অবশ্যই স্বীয় সন্নিধান হতে বৃহত্তর প্রতিদান প্রদান করতাম।
وَّ اِذًا لَّاٰتَیۡنٰهُمۡ مِّنۡ لَّدُنَّـاۤ اَجۡرًا عَظِیۡمًا
(৬৮) এবং নিশ্চয়ই তাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করতাম।
وَّ لَهَدَیۡنٰهُمۡ صِرَاطًا مُّسۡتَقِیۡمًا