তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

হাদিস সমূহ
বর্ণনাকারী: সবগুলো
হাদিস সংখ্যা: ৩৩৬৫
অধ্যায়: সালাত | উপ-অধ্যায়: মসজিদে কোন কিছু ভাগ করা ও (খেজুরের) কাঁদি ঝুলানো। | বর্ণনাকারী: আনাস (রাযি.)
হাদিস নং (৪২১): আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট বাহরাইন হতে কিছু সম্পদ এলো। তিনি বললেনঃ এগুলো মসজিদে রেখে দাও। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এ যাবত যত সম্পদ আনা হয়েছে তার মধ্যে এ সম্পদই ছিল পরিমাণে সবচে’ বেশী। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে চলে গেলেন এবং এর দিকে দৃষ্টি দিলেন না। সালাত শেষ করে তিনি এসে সম্পদের নিকট গিয়ে বসলেন। তিনি যাকেই দেখলেন, কিছু সম্পদ দিয়ে দিলেন। ইতোমধ্যে ’আব্বাস (রাযি.) এসে বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমাকেও কিছু দিন। কারণ আমি নিজের ও ’আকীলের (এ দু’জন বদরের যুদ্ধে মুসলিমদের কয়েদী ছিলেন) পক্ষ হতে মুক্তিপণ দিয়েছি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ নিয়ে যান। তিনি তা কাপড়ে ভরে নিলেন। অতঃপর তা উঠাতে চেষ্টা করলেন, কিন্তু পারলেন না। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! কাউকে বলুন, যেন আমাকে এটি উঠিয়ে দেয়। তিনি বললেন না। ’আব্বাস (রাযি.) বললেনঃ তাহলে আপনি নিজেই তা তুলে দিন। তিনি বললেনঃ না। অতঃপর ’আব্বাস (রাযি.) তা হতে কিছু সম্পদ রেখে দিলেন। অতঃপর পুনরায় তা তুলতে চেষ্টা করলেন। (এবারও তুলতে না পেরে) তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! কাউকে আদেশ করুন যেন আমাকে তুলে দেয়। তিনি বললেনঃ না। ’আব্বাস (রাযি.) বললেনঃ তাহলে আপনিই আমাকে তুলে দিন। তিনি বললেনঃ না। অতঃপর ’আব্বাস (রাযি.) আরো কিছু সম্পদ নামিয়ে রাখলেন। এবার তিনি উঠাতে পারলেন এবং তা নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে বেরিয়ে গেলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এই লোভ দেখে এতই বিস্মিত হয়েছিলেন যে, তিনি ’আব্বাসের দিকে তাকিয়ে থাকলেন যতক্ষণ না তিনি চোখের আড়াল হলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে একটি দিরহাম অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত উঠলেন না।
অধ্যায়: সালাত | উপ-অধ্যায়: মসজিদে যাকে খাবার দাওয়াত দেয়া হল, আর যিনি তা কবূল করেন। | বর্ণনাকারী: আনাস (রাযি.)
হাদিস নং (৪২২): আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে মসজিদে পেলাম আর তাঁর সঙ্গে ছিলেন কয়েকজন সাহাবী। আমি দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি আমাকে বললেনঃ তোমাকে কি আবূ তালহা পাঠিয়েছেন? আমি বললামঃ জী হাঁ। তিনি বললেনঃ খাবার জন্য? আমি বললামঃ জী, হাঁ। তখন তাঁর আশেপাশে যাঁরা ছিলেন, তিনি তাঁদেরকে বললেনঃ উঠ। অতঃপর তিনি চলতে শুরু করলেন। (রাবী বলেন) আর আমি তাঁদের সামনে সামনে অগ্রসর হলাম।
অধ্যায়: সালাত | উপ-অধ্যায়: মসজিদে বিচার করা ও নারী-পুরুষের মধ্যে ‘লি‘আন’ করা। | বর্ণনাকারী: সাহল ইবনু সা‘দ (রাযি.)
হাদিস নং (৪২৩): সাহল ইবনু সা‘দ (রাযি.) হতে বর্ণিত। এক ব্যক্তি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! কেউ তার স্ত্রীর সাথে অন্য ব্যক্তিকে দেখতে পেলে কি তাকে হত্যা করবে? পরে মসজিদে সে ও তার স্ত্রী একে অন্যকে ‘লি‘আন’ করল। তখন আমি তা প্রত্যক্ষ করলাম।
অধ্যায়: সালাত | উপ-অধ্যায়: কারো ঘরে প্রবেশ করলে যেখানে ইচ্ছা বা যেখানে নির্দেশ করা হয় সেখানেই সালাত আদায় করবে। এ ব্যাপারে অধিক যাচাই বাছাই করবে না। | বর্ণনাকারী: ইতবান ইবনু মালিক (রাযি.)
হাদিস নং (৪২৪): ইতবান ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরে এলেন এবং বললেনঃ তোমার ঘরের কোন্ জায়গায় আমার সালাত আদায় করা তুমি পছন্দ কর? তিনি বলেনঃ তখন আমি তাঁকে একটি স্থানের দিকে ইঙ্গিত করলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীর বললেন। আমরা তাঁর পেছনে কাতার করে দাঁড়ালাম। তিনি দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন।
অধ্যায়: সালাত | উপ-অধ্যায়: ঘর বাড়িতে মাসজিদ তৈরি। | বর্ণনাকারী: মাহমূদ ইবনু রাবী’ আনসারী (রাযি.)
হাদিস নং (৪২৫): মাহমূদ ইবনু রাবী’ আনসারী (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, ’ইতবান ইবনু মালিক (রাযি.), যিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী আনসারগণের অন্যতম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট হাযির হয়ে আরয করলেন হে আল্লাহর রাসূল! আমার দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পেয়েছে। আমি আমার গোত্রের লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করি। কিন্তু বৃষ্টি হলে আমার ও তাদের বাসস্থানের মধ্যবর্তী নিম্নভূমিতে পানি জমে যাওয়াতে তা পার হয়ে তাদের মসজিদে পৌঁছতে এবং তাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করতে সমর্থ হই না। আর হে আল্লাহর রাসূল! আমার একান্ত ইচ্ছা যে, আপনি আমার ঘরে এসে কোন এক স্থানে সালাত আদায় করেন এবং আমি সেই স্থানকে সালাতের জন্য নির্দিষ্ট করে নিই। রাবী বলেনঃ তাঁকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ইনশাআল্লাহ অচিরেই আমি তা করব। ’ইতবান (রাযি.) বলেনঃ পরদিন সূর্যোদয়ের পর আল্লাহর রাসূল্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বকর (রাযি.) আমার ঘরে তাশরীফ আনেন। আল্লাহর রাসূল্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে আমি তাঁকে অনুমতি দিলাম। ঘরে প্রবেশ করে তিনি না বসেই জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার ঘরের কোন্ স্থানে সালাত আদায় করা পছন্দ কর? তিনি বলেনঃ আমি তাঁকে ঘরের এক প্রান্তের দিকে ইঙ্গিত করলাম। অতঃপর আল্লাহর রাসূল্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন এবং তাকবীর বললেন। তখন আমরাও দাঁড়ালাম এবং কাতারবন্দী হলাম। তিনি দু’রাক’আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর সালাম ফিরালেন। তিনি (’ইতবান) বলেনঃ আমরা তাঁকে কিছুক্ষণের জন্য বসালাম এবং তাঁর জন্য তৈরি ’খাযীরাহ’* নামক খাবার তাঁর সামনে পেশ করলাম। রাবী বলেনঃ এ সময় মহল্লার কিছু লোক ঘরে ভীড় জমালেন। তখন উপস্থিত লোকদের মধ্য হতে এক ব্যক্তি বলে উঠলেন, ’মালিক ইবনু দুখাইশিন’ কোথায়? অথবা বললেনঃ ’ইবনু দুখশুন’ কোথায়? তখন তাঁদের একজন জওয়াব দিলেন, সে মুনাফিক। সে মহান আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলকে ভালবাসে না। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এরূপ বলো না। তুমি কি দেখছ না যে, সে আল্লাহর সন্তোষ লাভের জন্যে ’লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’’ বলেছে? তখন সে ব্যক্তি বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। আমরা তো তার সম্পর্ক ও নাসীহাত কামনা মুনাফিকদের সাথেই দেখি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা তো এমন ব্যক্তির প্রতি জাহান্নাম হারাম করে দিয়েছেন, যে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে ’লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলে। রাবী’ ইব্ন শিহাব (রহ.) বলেনঃ অতঃপর আমি মাহমূদ ইব্ন রাবী’ (রাযি.)-এর হাদীস সম্পর্কে হুসায়ন ইবনু মুহাম্মাদ আনসারী (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, যিনি বানূ সালিম গোত্রের একজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ছিলেন। তিনি এ হাদীস সমর্থন করলেন।
অধ্যায়: সালাত | উপ-অধ্যায়: মসজিদে প্রবেশ ও অন্যান্য কাজ ডান দিক হতে শুরু করা। | বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাযি.)
হাদিস নং (৪২৬): আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের সমস্ত কাজে যথাসম্ভব ডানদিক হতে আরম্ভ করা পছন্দ করতেন। তাহারাত অর্জন, মাথা আঁচড়ানো এবং জুতা পরার সময়ও।
অধ্যায়: সালাত | উপ-অধ্যায়: জাহিলী যুগের মুশরিকদের কবর খুঁড়ে ফেলে তদস্থলে মাসজিদ নির্মাণ কি বৈধ? | বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাযি.)
হাদিস নং (৪২৭): আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, উম্মু হাবীবাহ ও উম্মু সালামাহ (রাযি.) হাবশায় তাঁদের দেখা একটা গির্জার কথা বলেছিলেন, যাতে বেশ কিছু মূর্তি ছিল। তাঁরা উভয়ে বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট বর্ণনা করলেন। তিনি ইরশাদ করলেনঃ তাদের অবস্থা ছিল এমন যে, কোন সৎ লোক মারা গেলে তারা তার কবরের উপর মাসজিদ বানাতো। আর তার ভিতরে ঐ লোকের মূর্তি তৈরি করে রাখতো। কিয়ামত দিবসে তারাই আল্লাহর নিকট সবচাইতে নিকৃষ্ট সৃষ্টজীব বলে পরিগণিত হবে।
অধ্যায়: সালাত | উপ-অধ্যায়: জাহিলী যুগের মুশরিকদের কবর খুঁড়ে ফেলে তদস্থলে মাসজিদ নির্মাণ কি বৈধ? | বর্ণনাকারী: আনাস ইবনু মালিক (রাযি.)
হাদিস নং (৪২৮): আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনা্য় পৌঁছে প্রথমে মদিনার উচ্চ এলাকায় অবস্থিত বানূ ‘আমর ইবনু ‘আওফ নামক গোত্রে উপনীত হন। তাদের সঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চৌদ্দ দিন (অপর বর্ণনায় চবিবশ দিন) অবস্থান করেন। অতঃপর তিনি বানূ নাজ্জারকে ডেকে পাঠালেন। তারা কাঁধে তলোয়ার ঝুলিয়ে উপস্থিত হলো। আমি যেন এখনো সে দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন তাঁর বাহনের উপর, আবূ বকর (রাযি.) সে বাহনেই তাঁর পেছনে আর বানূ নাজ্জারের দল তাঁর আশেপাশে। অবশেষে তিনি আবূ আয়্যূব আনসারী (রাযি.)-র ঘরের সাহানে অবতরণ করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেখানেই সালাতের ওয়াক্ত হয় সেখানেই সালাত আদায় করতে পছন্দ করতেন এবং তিনি ছাগল-ভেড়ার খোঁয়াড়েও সালাত আদায় করতেন। এখন তিনি মাসজিদ তৈরি করার নির্দেশ দেন। তিনি বানূ নাজ্জারকে ডেকে বললেনঃ হে বানূ নাজ্জার! তোমরা আমার কাছ হতে তোমাদের এই বাগিচার মূল্য নির্ধারণ কর। তারা বললোঃ না, আল্লাহর কসম, আমরা এর দাম নেব না। এর দাম আমরা একমাত্র আল্লাহর নিকটই আশা করি। আনাস (রাযি.) বলেনঃ আমি তোমাদের বলছি, এখানে মুশরিকদের কবর এবং ভগ্নাবশেষ ছিল। আর ছিল খেজুর গাছ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নির্দেশে মুশরিকদের কবর খুঁড়ে ফেলা হলো, অতঃপর ভগ্নাবশেষ সমতল করে দেয়া হলো, খেজুর গাছগুলো কেটে ফেলা হলো অতঃপর মসজিদের কিবলায় সারিবদ্ধ করে রাখা হলো এবং তার দুই পাশে পাথর বসানো হলো। সাহাবীগণ পাথর তুলতে তুলতে ছন্দোবদ্ধ কবিতা আবৃত্তি করছিলেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -ও তাঁদের সাথে ছিলেন। তিনি তখন বলছিলেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! আখিরাতের কল্যাণ ব্যতীত (প্রকৃত) আর কোন কল্যাণ নেই। তুমি আনসার ও মুহাজিরগণকে ক্ষমা কর।’’
অধ্যায়: সালাত | উপ-অধ্যায়: ছাগল থাকার স্থানে সালাত আদায় করা। | বর্ণনাকারী: আনাস ইবনু মালিক (রাযি.)
হাদিস নং (৪২৯): আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাগল থাকার স্থানে সালাত আদায় করেছেন। রাবী বলেন, অতঃপর আমি আনাস (রাযি.)-কে বলতে শুনেছি যে, মাসজিদ নির্মাণের পূর্বে তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) ছাগলের খোঁয়াড়ে সালাত আদায় করেছেন।
অধ্যায়: সালাত | উপ-অধ্যায়: উট রাখার স্থানে সালাত আদায়। | বর্ণনাকারী: নাফি (রহ.)
হাদিস নং (৪৩০): নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ইবনু ‘উমার (রাযি.)-কে তাঁর উটের দিকে সালাত আদায় করতে দেখেছি। আর ইবনু ‘উমার (রাযি.) বলেছেনঃ আমি দেখেছি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন করতেন।