অধ্যায়: শর্তাবলী |
উপ-অধ্যায়: ইসলামে আহ্কামে ও ক্রয়-বিক্রয়ে যে সব শর্ত জায়িয। |
বর্ণনাকারী: মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ)
হাদিস নং (২৭১১):
মারওয়ান ও মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীগণ থেকে বর্ণনা করেন, সেদিন সুহাইল ইবনু ‘আমর যখন সন্ধিপত্র লিখল তখন সুহাইল ইবনু ‘আমর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি এরূপ শর্তারোপ করল যে, আমাদের কেউ আপনার নিকট আসলে সে আপনার দ্বীন গ্রহণ করা সত্ত্বেও আপনি তাকে আমাদের নিকট ফিরিয়ে দিবেন। আর আমাদের ও তার মধ্যে হস্তক্ষেপ করবেন না। মু’মিনরা এটা অপছন্দ করলেন এবং এতে রাগান্বিত হলেন। সুহাইল এটা ব্যতীত সন্ধি করতে অস্বীকার করল। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সে শর্ত মেনেই সন্ধিপত্র লেখালেন। সেদিন তিনি আবু জানদাল (রাঃ)-কে তার পিতা সুহাইল ইবনু ‘আমরের নিকট ফেরত দিলেন এবং সে চুক্তির মেয়াদ কালে পুরুষদের মধ্যে যেই এসেছিলো মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও তিনি তাকে ফেরত দিলেন। মু’মিন নারীরাও হিজরত করে আসলেন। সে সময় আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের মধ্যে উম্মু কুলসুম বিনতে ‘উকবাহ ইবনু আবু মুয়ায়ত (রাঃ) ছিলেন। তিনি ছিলেন যুবতী। তাঁর পরিজন তাঁকে তাদের নিকট ফেরত দেয়ার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে দাবী জানালো। কিন্তু তাঁকে তিনি তাদের নিকট ফেরত দিলেন না। কেননা, সেই নারীদের সম্পর্কে আল্লাহ্ তায়ালা আয়াত নাযিল করেছিলেনঃ মুমিন নারীরা হিজরত করে তোমাদের নিকট আসলে তাদের তোমরা পরীক্ষা কর। আল্লাহ্ তাদের ঈমান সম্বন্ধে সম্যক অবগত আছেন। যদি তোমরা জানতে পার যে, তারা মুমিন তাদেরকে কাফিরদের নিকট ফেরত পাঠাবে না- (সূরা আল-মুমতাহিনা ১০)। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) يٰٓأيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا إِذَا جَآءَكُمْ الْمُؤْمِنَاتُ مُهَاجِرَاتٍ إِلٰى غَفُوْرٌ رَحِيْمٌ এই আয়াতের ভিত্তিতেই তাদের পরীক্ষা করে দেখতেন।
|
অধ্যায়: শর্তাবলী |
উপ-অধ্যায়: ইসলামে আহ্কামে ও ক্রয়-বিক্রয়ে যে সব শর্ত জায়িয। |
বর্ণনাকারী: মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ)
হাদিস নং (২৭১২):
মারওয়ান ও মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীগণ থেকে বর্ণনা করেন, সেদিন সুহাইল ইবনু ‘আমর যখন সন্ধিপত্র লিখল তখন সুহাইল ইবনু ‘আমর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি এরূপ শর্তারোপ করল যে, আমাদের কেউ আপনার নিকট আসলে সে আপনার দ্বীন গ্রহণ করা সত্ত্বেও আপনি তাকে আমাদের নিকট ফিরিয়ে দিবেন। আর আমাদের ও তার মধ্যে হস্তক্ষেপ করবেন না। মু’মিনরা এটা অপছন্দ করলেন এবং এতে রাগান্বিত হলেন। সুহাইল এটা ব্যতীত সন্ধি করতে অস্বীকার করল। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সে শর্ত মেনেই সন্ধিপত্র লেখালেন। সেদিন তিনি আবু জানদাল (রাঃ)-কে তার পিতা সুহাইল ইবনু ‘আমরের নিকট ফেরত দিলেন এবং সে চুক্তির মেয়াদ কালে পুরুষদের মধ্যে যেই এসেছিলো মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও তিনি তাকে ফেরত দিলেন। মু’মিন নারীরাও হিজরত করে আসলেন। সে সময় আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের মধ্যে উম্মু কুলসুম বিনতে ‘উকবাহ ইবনু আবু মুয়ায়ত (রাঃ) ছিলেন। তিনি ছিলেন যুবতী। তাঁর পরিজন তাঁকে তাদের নিকট ফেরত দেয়ার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে দাবী জানালো। কিন্তু তাঁকে তিনি তাদের নিকট ফেরত দিলেন না। কেননা, সেই নারীদের সম্পর্কে আল্লাহ্ তায়ালা আয়াত নাযিল করেছিলেনঃ মুমিন নারীরা হিজরত করে তোমাদের নিকট আসলে তাদের তোমরা পরীক্ষা কর। আল্লাহ্ তাদের ঈমান সম্বন্ধে সম্যক অবগত আছেন। যদি তোমরা জানতে পার যে, তারা মুমিন তাদেরকে কাফিরদের নিকট ফেরত পাঠাবে না- (সূরা আল-মুমতাহিনা ১০)। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) يٰٓأيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا إِذَا جَآءَكُمْ الْمُؤْمِنَاتُ مُهَاجِرَاتٍ إِلٰى غَفُوْرٌ رَحِيْمٌ এই আয়াতের ভিত্তিতেই তাদের পরীক্ষা করে দেখতেন।
|
অধ্যায়: শর্তাবলী |
উপ-অধ্যায়: ইসলামে আহ্কামে ও ক্রয়-বিক্রয়ে যে সব শর্ত জায়িয। |
বর্ণনাকারী: উরওয়াহ (রহ.)
হাদিস নং (২৭১৩):
উরওয়াহ (রহ.) বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, তাদের মধ্যে যারা এই শর্তে রাযী হতো তাকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শুধু এ কথা বলতেন, ‘আমি তোমাকে বায়‘আত করলাম। আল্লাহর কসম! বায়‘আত গ্রহণে তাঁর হাত কখনো কোন নারীর হাত স্পর্শ করেনি। তিনি তাদের শুধু কথার মাধ্যমে বায়‘আত করেছেন।
|
অধ্যায়: শর্তাবলী |
উপ-অধ্যায়: ইসলামে আহ্কামে ও ক্রয়-বিক্রয়ে যে সব শর্ত জায়িয। |
বর্ণনাকারী: যিয়াদ ইবনু ইলাকা (রহ.)
হাদিস নং (২৭১৪):
যিয়াদ ইবনু ইলাকা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জারীর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট বায়‘আত গ্রহণ করলাম। তিনি আমার উপর প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনার শর্তারোপ করলেন।
|
অধ্যায়: শর্তাবলী |
উপ-অধ্যায়: ইসলামে আহ্কামে ও ক্রয়-বিক্রয়ে যে সব শর্ত জায়িয। |
বর্ণনাকারী: জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (২৭১৫):
জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সালাত কায়িম করার, যাকাত প্রদান করার এবং প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনা করার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট বাই‘আত করেছি।
|
অধ্যায়: শর্তাবলী |
উপ-অধ্যায়: তাবীর করা খেজুর গাছ বিক্রি করা। |
বর্ণনাকারী: আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
হাদিস নং (২৭১৬):
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কেউ তাবীর করা খেজুর গাছ বিক্রি করলে তার ফল হবে বিক্রেতার, যদি ক্রেতা শর্তারোপ না করে।
|
অধ্যায়: শর্তাবলী |
উপ-অধ্যায়: বিক্রয়ে শর্তারোপ করা। |
বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাঃ)
হাদিস নং (২৭১৭):
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বারীরাহ (রাঃ) একবার তাঁর নিকট এসে তার চুক্তি পত্রের ব্যাপারে সাহায্য প্রার্থনা করল, তখন পর্যন্ত সে চুক্তির অর্থ কিছুই আদায় করেনি। ‘আয়িশাহ (রাঃ) তাকে বললেন, ‘তুমি তোমার মালিকের নিকট ফিরে যাও। তারা যদি এটা পছন্দ করে যে, আমি তোমার পক্ষ থেকে তোমার চুক্তিপত্রের প্রাপ্য পরিশোধ করে দিব, আর তোমার ‘ওয়ালা’ আমার জন্য থাকবে, তাহলে আমি তাই করব।’ বারীরাহ (রাঃ) তার মালিককে সে কথা জানালে তারা অস্বীকার করে বলল, তিনি যদি তোমাকে দিয়ে সওয়াব পেতে চান তবে করুন, তোমার ‘ওয়ালা’ অবশ্য আমাদেরই থাকবে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে সে কথা জানালে তিনি তাঁকে বললেন, ‘তুমি তাকে কিনে নাও তারপর আযাদ করে দাও। ‘ওয়ালা’ তারই যে আযাদ করে।’
|
অধ্যায়: শর্তাবলী |
উপ-অধ্যায়: নির্দিষ্ট স্থান পর্যন্ত সওয়ারীর পিঠে চড়ে যাবার শর্তে পশু বিক্রি করা জায়িয। |
বর্ণনাকারী: জাবির (রাঃ)
হাদিস নং (২৭১৮):
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর এক উটের উপর সওয়ার হয়ে সফর করছিলেন, সেটি ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন এবং উটটিকে (চলার জন্য) প্রহার করে সেটির জন্য দু‘আ করলেন। ফলে উটটি এত জোরে চলতে লাগলো যে, কখনো তেমন জোরে চলেনি। অতঃপর তিনি বললেন, ‘এক উকিয়ার বিনিময়ে এটি আমার নিকট বিক্রি কর।’ আমি বললাম, না। তিনি বললেন, ‘এটি আমার নিকট এক উকিয়ার বিনিময়ে বিক্রি কর।’ তখন আমি সেটি বিক্রি করলাম। কিন্তু আমার পরিজনের নিকট পৌঁছা পর্যন্ত সওয়ার হবার অধিকার রেখে দিলাম। অতঃপর উট নিয়ে আমি তাঁর নিকট গেলাম। তিনি আমাকে এর নগদ মূল্য দিলেন। অতঃপর আমি চলে গেলাম। তখন আমার পেছনে লোক পাঠালেন। পরে বললেন, ‘তোমার উট নেয়ার ইচ্ছা আমার ছিল না। তোমার এ উট তুমি নিয়ে যাও এটি তোমারই মাল।’
শু‘বা (রহ.) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উটটির পেছনে মদিনা্ পর্যন্ত আমাকে সওয়ার হতে দিলেন। ইসহাক (রহ.) জারীর (রহ.) সূত্রে মুগীরাহ (রহ.) থেকে বর্ণনা করেন, আমি সেটি এ শর্তে বিক্রি করলাম যে, ‘মদিনা্য় পৌঁছা পর্যন্ত তার পিঠে সাওয়ার হবার অধিকার আমার থাকবে। ‘আতা (রহ.) প্রমুখ বলেন, (রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেন) মদিনা্ পর্যন্ত তোমার তাতে সওয়ার হবার অধিকার থাকবে। ইবনু মুনকাদির (রহ.) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি মদিনা্ পর্যন্ত এর পিঠে সওয়ার হবার শর্ত করেছেন। যায়দ ইবনু আসলাম (রহ.) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তোমার প্রত্যাবর্তন করা পর্যন্ত এর পিঠে সওয়ার হতে পারবে। আবূ যুবাইর (রহ.) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তোমাকে মদিনা্ পর্যন্ত এর পিঠে সওয়ার হতে দিলাম। আ‘মাশ (রহ.) সালিম (রহ.) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, এর উপর সওয়ার হয়ে তুমি পরিজনের নিকট পৌঁছবে। ‘উবাইদুল্লাহ্ ও ইবনু ইসহাক (রহ.) ওয়াহাব (রহ.) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক উকিয়ার বিনিময়ে সেটি খরিদ করেছিলেন। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে যায়দ ইবনু আসলাম (রহ.) ওয়াহাব (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। ইবনু জুরাইজ (রহ.) ‘আত্বা (রহ.) প্রমুখ সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে বণৃনা করেন যে, (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন,) আমি এটাকে বার দ্বীনারের বিনিময়ে নিলাম। দশ দিরহামে এক দ্বীনার হিসেবে তাতে এক উকিয়াই হয়। মুগীরাহ (রহ.) শাবী (রহ.) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে এবং ইবনু মুনকাদির ও আবু যুবাইর (রহ.) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনায় মূল্য উল্লেখ করেননি। আ’মাশ (রহ.) সালিম (রহ.) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনায় এক উকিয়া স্বর্ণ উল্লেখ করেছেন। সালিম (রহ.) সূত্রে জাবির (রাঃ) থেকে দাউদ ইবনু কায়স (রহ.)-এর বর্ণনায় রয়েছে যে, তিনি সেটি তাবুকের পথে খরিদ করেন। রাবী বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছেন, চার উকিয়ার বিনিময়ে। আবূ নাযরা (রহ.) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি সেটি বিশ দ্বীনারে খরিদ করেছেন। তবে শাবী (রহ.) কর্তৃক বর্ণিত এক উকিয়াই অধিক বর্ণিত। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.) বলেন, (রিওয়ায়াতে বিভিন্ন রকমের হলেও) শর্ত আরোপ কৃত রিওয়ায়াতই অধিক সূত্রে বর্ণিত এবং আমার মতে এটাই অধিক সহীহ।
|
অধ্যায়: শর্তাবলী |
উপ-অধ্যায়: বর্গাচাষ ইত্যাদির বিষয়ে শর্তাবলী। |
বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (২৭১৯):
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসারগণ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বললেন, ‘আমাদের ও আমাদের (মুহাজির) ভাইদের মধ্যে খেজুর গাছ বণ্টন করে দিন।’ তিনি বললেন, না। তখন তাঁরা বললেন, ‘তোমরা আমাদের শ্রমে সাহায্য করবে আর তোমাদের আমরা ফলের অংশ দিব।’ তারা [মুহাজিরগণ (রাঃ)] বললেন, আমরা শুনলাম ও মেনে নিলাম।’
|
অধ্যায়: শর্তাবলী |
উপ-অধ্যায়: বর্গাচাষ ইত্যাদির বিষয়ে শর্তাবলী। |
বর্ণনাকারী: আবদুল্লাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (২৭২০):
আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সা) খায়বার ইয়াহূদীদেরকে দিলেন এ শর্তে যে, তারা তাতে কাজ করবে এবং তাতে ফসল ফলাবে, তাতে যা উৎপন্ন হবে তার অর্ধেক তারা পাবে।
|